আয়েশা (রাঃ) ও মুহাম্মাদ (সঃ)


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্তরে আয়েশা রাদিআল্লাহ আনহার যে মহত্ব ও মর্যাদা ছিল, তা অন্য কোন স্ত্রীর জন্য ছিল না। তার প্রতি এ মহব্বত তিনি কারো থেকে গোপন পর্যন্ত করতে পারেননি, তিনি তাকে এমন ভালবাসতেন যে, আয়েশা যেখান থেকে পানি পান করত, তিনিও সেখান থেকে পানি পান করতেন, আয়েশা যেখান থেকে খেত, তিনিও সেখান থেকে খেতেন। অষ্টম হিজরিতে ইসলাম গ্রহণকারী আমর ইব্নুল আস রাদিআল্লাহু আনহু তাকে জিজ্ঞাসা করেন :

হে আল্লাহর রাসূল, আপনার নিকট সবচেয়ে প্রিয় কে ? তিনি বললেন : আয়েশাসে বলল : পুরুষদের থেকে ? তিনি বললেন : তার পিতা {বুখারি ও মুসলিম}

Continue reading

রাসুলুল্লাহ (সঃ) কথাবার্তার স্বরুপ


নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অত্যন্ত সুন্দর কথোপকথনকারী ও সুমিষ্ট ছিলেন।

হযরত রাফে ইবন খাদীজ (রা) হতে বর্ণিত, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন, আমি(বাকপটুত্বে ও ভাষার অলংকারে) সবচেয়ে বেশি ফসীহ ও বলীগ। (নাসাঈ ও হাকেম)

হযরত বুরাইদা(রা) থেকে বর্ণিত, বেহেশতীগণ বেহেশতে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভাষায়(আরবীতে) কথাবার্তা বলবে। (আবুল হাসান ইবন দ্বাহকাক, শামায়েলে)

হযরত ইবন আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অল্প কথা বলতেন, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা এত বিন্যাসের সাথে হত, যেমন মুক্তার মালা। (হাকেম)

হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা) বলেন, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদের ন্যায় অধিক কথা বলতেন না
(তিবরানী)

Continue reading